র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়নের সৃষ্টিলগ্ন থেকে বাংলাদেশে অপরাধ নির্মূলে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছে। র্যাব-১৫ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত/এজাহারভুক্ত আসামী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অপহরণ, ধর্ষণ, খুন, ডাকাতি, চুরি-ছিনতাই এবং মাদকসহ সমাজে বিরাজমান নানাবিধ অপরাধ নির্মূল ও মামলার আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে আন্তরিকতার সহিত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার মামলা নং ৭১, তারিখ-২৩/০৫/২০১৮, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০ এর ১৯ (১) এর ৯ (ক) মোতাবেক গ্রেফতারী ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী নরুল আবছার’কে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১৫, কক্সবাজার বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারী ও তৎপরতা অব্যাহত রাখে। একপর্যায়ে র্যাব গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, বর্ণিত মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন ডুলাহাজারা এলাকায় আত্মগোপনে অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ সকাল অনুমান ২০.০০ ঘটিকার সময় র্যাব-১৫, সিপিসি-৩ বান্দরবান ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নরুল আবছার (৫০), পিতা-ফয়েজুর রহমান, মাতা-হাজেরা খাতুন, সাং-রংমহল, ৯নং ওয়ার্ড, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন, থানা-চকরিয়া, জেলা-কক্সবাজার’কে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে ধৃত আসামীকে তল্লাশী করে তার হেফাজত হতে সর্বমোট ৪০ (চল্লিশ) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উক্ত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত এবং সে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারী দামে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে সুবিধা মতো কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানা এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় খুচরা দামে বিক্রি করে থাকে। সে চকরিয়া থানায় বর্ণিত মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী এবং এ যাবত পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে অবস্থান করছিল বলে স্বীকার করে। উল্লেখ্য, বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক গ্রেফতারকৃত আসামীকে মাদক মামলায় ০৬ (ছয়) মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ০১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
